শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল জেলা মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ (৫৫) কে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটায় চরাদী মাঝের ব্রিজ নামক স্থানে বসে তার পথরোধ করে মারধর করে মারধর করে ও এক পর্যায়ে মাইক্রোবাসে করে গুম করার চেষ্টা করে।
এ ঘটনায় আহত জাহিদ বাকেরগঞ্জ থানাধীন ডিংগার হাট গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে।পরবর্তীতে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত সূত্রে জানা গেছে,গত ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিএনপির কর্মী চরাদী ইউনিয়নের যুগ্ন আহবায়ক সোহাগ জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদের কাছে জেলা বাস মালিক সমিতিতে পদ পদবীর জন্য তদবির করে।অথচ বিএনপি’র কর্মী সোহাগের নিজস্ব কোন গাড়ি না থাকায় মালিক সমিতিতে থাকতে পারবেনা।
আর এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে সোহাগ বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদের কাছে ৪০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে ও খুন গুমের হুমকি দেয় ।একপর্যায়ে জাহিদের বাস গাড়িটি সোহাগের নেতৃত্বে নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে বাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ পুলিশের মাধ্যমে তার বাসটি পুনরায় উদ্ধার করে।
আর এই শত্রুতার জেরে গতকাল শনিবার চরাদীর মাঝের ব্রিজ নামক স্থানে বসে জাহিদের পথরোধ করে প্রতিপক্ষ আব্দুল বারেক হাওলাদারের ছেলে চরাদী ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায় সোহাগ, মৃতু আব্দুর রবের ছেলে নজরুল, সোহেল,রানীর হাটের পলাশ সহ অজ্ঞাত পাঁচ থেকে ছয় জন জাহিদ কে লাঠি ও রড দিয়ে এলোপাতারি পেটাতে শুরু করে।ও গলায় গামছা পিছে শ্বাসরোধের চেষ্টা করে।
পরে সেখান থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাইক্রোবাসের চেপে গুমের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জাহিদের পকেটে থাকা মোবাইল দিয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তাচায়। এ সময় সোহাগ ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা বিষয়টি টের পেয়ে গুম না করে চড়াদি পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়।এবং সেখানে যৌথ বাহিনীর সহায়তায় সেখান থেকে উদ্ধার হয় জাহিদ।এ সময় জাহিদের সাথে থাকা নগদ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
বর্তমানে আহত জাহিদ শেবাচিমের সার্জারি ওয়ার্ডে মুমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে আহতর পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।